আমির তাইমুর গুরিগানঃএশিয়ার সর্বশেষ দ্বিগ্বিজয়ী
পর্ব-২
প্রথম পর্বের পর থেকে................
১৮৯২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করেন বিশিষ্ট ঐতিহাসিক,স্ক্রিপ্ট রাইটার,ঔপন্যাসিক হ্যারল্ড ল্যাম্ব।তাইমুর সম্পর্কে তিনি লিখেন তার বিখ্যাত বই “Tamerlane: The Earth Shaker“ “দুনিয়া কাঁপানো তৈমুর লঙ“ নামে বইটির বাংলা অনুবাদ করেছেন যায়নুদ্দিন সানী।এই বইয়ে লেখক যতটুকু সম্ভব তাইমুরের পক্ষে লেখার চেষ্টা করেছেন।কিন্তু তিনিও আহমাদ ইবনে আরব-শাহর প্রভাব থেকে বেরুতে পারেন নি বলা যায়।অর্থাৎ,তিনি আহমাদ ইবনে আরব-শাহর আরোপিত অভিযোগগুলো বরাবরই স্বীকার করে নিয়েছেন,কিন্তু অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে একটি গ্রহনযোগ্য উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।যেমন,Tower of Skull বা মাথার খূলি দিয়ে টাওয়ার নির্মান;বাগদাদ,সিরিয়া ও ভারতে গণহত্যার আদেশ দেওয়া'এসব বিষয় তিনি স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে হ্যারল্ড ল্যাম্ব বলেন,মাথা দিয়ে পিরামিড শুধুমাত্র তাইমুর নির্মান করেননি,সমসাময়িক হেরাতের রাজপুত্র,ইউরোপ ও ক্রুসেডের সেনাপতিরাও পিরামিড নির্মান করেছিল।তবে তাইমুরের পিরামিড টা আকারে বড় ছিল!
গনহত্যার ক্ষেত্রেও লেখক বিভিন্ন রেফারেন্স দিয়ে বলতে চেয়েছেন,ঐ সময়ে ক্ষমা ছিলো দূর্বলতার নিদর্শন।তাই তাইমুর নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য বেশ কয়েকটি গণহত্যার আদেশ জারি করেছিলেন!!
একইভাবে,হ্যারল্ড ল্যাম্ব তৈমুরের ধার্মিকতা কে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন।তিনি বলেন,ধর্মের প্রতি তাইমুরের আলাদা কোন আগ্রহ-অনুভূতি ছিলো না।
মোটকথা,হ্যারল্ড ল্যাম্বও তাইমুর কে একজন সৎ রাজা হিসেবে দাড় করান নি।ধর্মীয় দিক থেকেও তাইমুরকে নিতান্ত-ই দূর্বল মানুষ হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন।
তাই তাইমুর এখন বিবেচিত হচ্ছেন পৌনে দু-কোটি মানুষের হন্তারক,মাথার পিরামিড নির্মাতা আর সভ্যতার বিনাশকারী হিসেবে।অন্যান্য লেখকরা তাকে পরিচয় করিয়েছেন ডাকাতি,সন্ত্রাস আর লুটপাটের রাজা হিসেবে!!!!!
______________________________ ____________
এসব অপবাদ আর অভিযোগের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন “মুহাম্মাদ আমিন শায়খু“।তার জন্ম ১৮৯০ সালে সিরিয়ার দামেষ্কে।মুহাম্মাদ আমিন শায়খু তার বেশ কিছু ধারণার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।তন্মধ্যে একটি হলো,তিনি মনে করেন ইতিহাসবিদরা তাইমুরের উপর অত্যাচার করেছেন।তার এ ধারণা তাকে অন্যান্য ইতিহাসবিদদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।ইতিহাসবিদদের অপবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরতে গিয়ে তিনি লিখেছেন তার অমর গ্রন্থ,”حقيقة تيمور لنك العظيم“ বা মহান তাইমুর লঙ সম্পর্কে বাস্তবতা“।লেখক তার গ্রন্থের শুরুতেই আহমাদ ইবনে আরব-শাহ কে একহাত নিয়েছেন।লেখক আহমাদ ইবনে আরব-শাহর জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেন,আরব-শাহ র পিতা ছিলেন বাগদাদের আমির সুলতান আহমাদ জালাইর সভাসদ,তাকে তাইমুর লঙ আটক করেছিলেন।এছাড়া আরব-শাহর জন্ম হয়েছিল ১৩৮৯ সালে আর তাইমুর লঙ বাগদাদ ও সিরিয়া জয় করেছিলেন ১৩৯৯-১৪০১ সাল নাগাদ।অর্থাৎ তখন আরব-শাহর বয়স মাত্র তেরো বছর।মুহাম্মাদ আমিন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন,তেরো বছর বয়সী একজন বাচ্চা ছেলের কথা কিভাবে ইতিহাসবিদরা তাদের বইয়ে প্রধান সূত্র হিসেবে গ্রহণ করেছে!!!!যার বাবাকে তাইমুর লঙ আটক করেছিলেন......
মুহাম্মাদ আমিন ভিন্ন পথে গিয়ে রেফারেন্স সহকারে তাইমুরের জীবনী লিখেছেন।দুই খন্ডের বইয়ে তিনি এক নতুন তাইমুর কে আবিষ্কার করেছেন।যা আমাদের পরিচিত "কুখ্যাত তাইমুর" থেকে সম্পূর্ণ পৃথক।লেখক তাইমুরকে চিত্রিত করেছেন একজন ধর্মভীরু অপরাজেয় শাসক হিসেবে।দামেস্ক বিজয় করে যিনি শহরের জামে মসজিদে সিজদায় পড়েছিলেন,যার চিঠির শুরুতে লেখা থাকতো,'আল্লাহর বান্দা তাইমুর বলছি'।তিনি আবিষ্কার করেছেন এমন এক তাইমুরকে যিনি বাগদাদ,সিরিয়া আর সিভাসে গণহত্যা চালাননি।
তাইমুর যখন সমরখন্দের সিংহাসনে বসছেন,তখন বিশিষ্ট ফকিহ মোল্লা যায়নুদ্দিন রহিমাহুল্লাহু বলেছিলেন,“এটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা যে,তুমি বিজয়ী হয়েছো,তুমি সুলতান হয়েছো।আশা করি, সুলতান ও বিজয়ী হিসেবে তুমি আরো এগিয়ে যাবে,তোমার মাধ্যমে ইসলামের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি পাবে।(পৃষ্ঠা ১৫৯)
একইভাবে লেখক তাইমুরকে উপস্থাপন করেছেন একজন ধর্মভীরু হিসেবে।যদিও পশ্চিমারা বারবার তাকে একজন ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।মুহাম্মাদ আলি সাল্লাবিও তাইমুরের ধর্মনিষ্ঠতার কথা স্বীকার করেছেন।যেমন তিনি বলেছেন,একজন মুসলমান হিসেবে তাইমুর আলিম,ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব,বিশেষ করে নকশবন্দি সিলসিলার বুজুর্গদের খুবই শ্রদ্ধা করতেন।
[দ্য অটোমান এম্পায়ার, (প্রথম খন্ড-পৃষ্ঠা ১১২)]
______________________________ ____________
বায়েজিদ খান ও তাইমুর লঙঃ----
চৌদ্দ শতকের সবচেয়ে সফল মুসলিম মুজাহিদদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন উসমানি সুলতান বায়েজিদ খান।অন্যদিকে তাইমুর গুরিগান-ও ছিলেন বিখ্যাত মুসলিম বিজেতা।তাই তাইমুর ও বায়েজিদ খানের সংঘাত ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।পাশাপাশি এটা নিয়ে আলোচনাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আঙ্কারার যুদ্ধে বায়েজিদ খান ও তাইমুর গুরিগানের মাঝে কে সঠিক ছিলেন সেটা নিরূপণ করা বেশ মুশকিল।তুর্কি লেখক ইয়িলমায উযতুনা (১৯৩০-২০১২) তার বই তারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া তে লিখেন,“এশিয়ার মুসলিম বীর তাইমুর গুরিগান বায়েজিদ খানের উপর আক্রমণ করতে আগ্রহী ছিলেন না।তাইমুর জানতেন উসমানিয়রা কোন সীমারেখা'র ধার ধারে না।তিনি আশংকা করেছিলেন বায়েজিদ খান এশিয়ার আরো গভীরে ঢুকে পড়বেন।১৪০০ সালে সিভাস দখল করার পর তাইমুর গুরিগান আশা করেছিলেন যে,বায়েজিদ খান তার কাছে নত হবেন,ঠিক যেভাবে এশিয়ার সকল সুলতান নত হয়েছিলেন।“[তারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া, (পৃষ্ঠাঃ১০৯)]
মুহাম্মাদ আমিন শায়খু তার বই“হাকিকাতু তাইমুর লঙ“এর দ্বিতীয় খন্ডে লিখেন,নিকোপলিসে বিজয়ের পর ১৩৯৭ সাল থেকে বায়েজিদ খান আনাতোলিয়ান যেসব ভূখণ্ড জয় করেছিলেন, যেমন সিভাস,মালাটিয়া,কায়সারিয়া ইত্যাদি শহরগুলো কে তাইমুর তার কাছে ফেরৎ দেওয়ার নির্দেশ দেন।তাইমুর মনে করতেন,এসব ভূখণ্ডে সেলজুকদের অধিকার রয়েছে।তিনি সেলজুকদের আনাতোলিয়ার নীতিগত দাবিদার মনে করতেন।যদিও চৌদ্দ শতকে সেলজুকদের অস্তিত্ব বিলিন হয়ে গিয়েছিল। (পৃষ্ঠাঃ১২৯)
এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে,বায়েজিদ খান তাইমুরের চিঠির জবাব অত্যন্ত কঠিন ভাষায় দিয়েছিলেন এবং চিঠির শেষে বায়েজিদ বলেছিলেন,তাদের মধ্যে যে পরাজিত হবে তার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। চিঠির এমন কর্কশ ভাষাকে অনেকে যুদ্ধের উস্কানি হিসেবে দেখলেও এটা যুদ্ধের মুল কারণ ছিলো না।
একইভাবে তাইমুর গুরিগানও বায়েজিদ খানকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করেছিলেন।তিনি বলেছিলেন,“উসমানিদের বংশ পরিচয় পর্দার আড়ালে,তুমি কেবল তুর্কদের সাধারণ এক সর্দার“ [তারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া -আলি সাল্লাবি। পৃষ্ঠাঃ৭২]
মুহাম্মাদ আমিন শায়খু তার বইয়ে তাইমুরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিষোদগারের জবাব দিলেও বায়েজিদ খানের প্রশ্নে তিনি নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন নি।আনাতোলিয়ায় বায়েজিদ খানের মুসলিম ভূখন্ড দখল করাকে তিনি অবৈধ বলেছেন।তিনি মনে করছেন যে,তাইমুরের কাছে এসব ফেরত দেওয়া বায়েজিদ খানের কর্তব্য ছিলো।
অথচ খোদ তাইমুর তার সত্তর শতাংশ অভিযান চালিয়েছিলেন মুসলিম ভূখণ্ডগুলোতে।ভারতে তুঘলকদের বিরুদ্ধে,বাগদাদে কারা ইউসুফ ও আহমাদ জালাইর বিরুদ্ধে,দামেস্ক সহ সিরিয়ায় মামলুক সুলতান নাসিরুদ্দিন ফিরোজের বিরুদ্ধে।তাহলে তাইমুর কি সত্যিই মুসলিম ভূখণ্ডে অভিযান চালানোর কারণে বায়েজিদ খানকে দোষারোপ করতে পারেন??
কিন্তু মুহাম্মাদ আমিন শায়খু তার বইয়ে তাইমুরকে সম্পূর্ণভাবে সত্যের পাশে রেখেছেন,বিপরীতে আঙ্কারা যুদ্ধের গোটা দায় চাপিয়েছেন বায়েজিদ খান ও উসমানিদের উপর!!
তাইমুর ও বায়েজিদ খানের এ সংঘাতের ব্যাপারে মুহতারাম আলি সাল্লাবি যে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেটা আমার কাছে বেশ গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে।
আলি সাল্লাবি তার বই "আদ দাওলাতুল উসমানিয়া" তে তাইমুর গুরিগান ও বায়েজিদ খানের সংঘাতের কারন বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছেন,
১ঃ-এ যুদ্ধে বায়েজিদ খান ও তাইমুর উভয়কে উস্কানি দিয়েছে আনাতোলিয়ার রাজপুত্র ও সুলতান আহমাদ,কারা ইউসুফ প্রমুখ ব্যক্তিরা।আনাতোলিয়ার রাজপুত্ররা বায়েজিদ খান থেকে পালিয়ে তাইমুরের কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন,একইভাবে সুলতান আহমাদ ও কারা ইউসুফ বায়েজিদ খানের কাছে আশ্রয় নেন।এরা পর্দার পেছন থেকে এ দুই মুসলিম বীরকে যুদ্ধের জন্য উস্কে দেন।
২ঃ-ইউরোপের খ্রিস্টান রা তাইমুর কে বায়েজিদ খানের উপর হামলা চালানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করছিলেন।যেমন ড.মুহাম্মাদ ফুয়াদ আল মুতাওয়াল্লি তার বই “তারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া“র ৮২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন,❝তাইমুরকে বাইজান্টাইন সম্রাট ও ফ্রান্সের সম্রাট ষষ্ঠ শ্যারেল বায়েজিদের উপর হামলা চালাতে অনুরোধ করেছিলেন।❞
মুহাম্মাদ আমিন শায়খু-ও এই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারেন নি।তিনি লিখেছেন,ইংরেজ সম্রাট চতুর্থ হেনরি,ফ্রান্সের সম্রাট ষষ্ঠ শ্যারেল তাইমুরকে তার বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।আর বাইজান্টাইন সম্রাট তাইমুরের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।এভাবে আরো বহু খ্রিস্টান রাজা তাইমুরের কাছে সাহায্য চেয়েছেন,কিংবা হিতাকাঙ্ক্ষা জ্ঞাপন করেছিলেন। [হাকিকাতু তাইমুর লঙ,প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৪৭]
আলি সাল্লাবি তার বক্তব্যের শেষে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন,মূল কথা হলোঃউভয় সম্রাট নিজেদের সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটাতে চেয়েছিলেন, যদ্দরুন একটি মহাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিলো।
[আদ দাওলাতুল উসমানিয়া,পৃষ্ঠাঃ৭২]
______________________________ ___________
পরিশিষ্টঃ
সাতশো বছর পরে নিজেদের জীবন নিয়ে পড়ে থাকা আমরা আসলে সেই মানুষগুলোর সত্যিকার বিচার করতে পারবো না কখনো।আমরা নিশ্চিতরূপে বলতে পারবো না যে,তাইমুর যেসব মুসলিমদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিলেন তারা আসলেই মিথ্যার উপর ছিলেন। যদিও মুহাম্মাদ আমিন শায়খু তার পুরো বইয়ে প্রমান করতে চেয়েছেন যে,তাইমুর তার পুরো জীবনে সবসময় সঠিক ছিলেন।একইভাবে তাইমুর গুরিগান কেও আমরা ঢালাওভাবে মুসলিম হত্যাকারী বলতে পারবো না।
আঙ্কারা ময়দানে কে সঠিক ছিলো সেটা নিরূপণ করা আমাদের জন্য কষ্টকর।একদিকে বায়েজিদ খানের অহংকার যেমন আছে,ঠিক অন্যদিকে আছে তাইমুরের সাম্রাজ্যের লোভ।
সারা জীবন তাইমুর স্বপ্ন দেখেছিলেন এশিয়ার হাতি খ্যাত বিশাল চীনকে মুসলিম দের আয়ত্বে নিয়ে আসতে,অন্যদিকে বায়েজিদ খান স্বপ্ন দেখেছিলেন পৃথিবীর রাজধানী কনস্টান্টিনোপলে ইসলামের সবুজ পতাকা উড়াতে........
আমরা আসলে-ই সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না কে সঠিক ছিলেন!
______________________________ ____________
তথ্যসূত্রঃ
1ঃTamerlane: The Earth Shaker“ Harold Lamb.বাংলা অনুবাদঃদুনিয়া কাঁপানো তাইমুর লঙ,যায়নুদ্দিন সানী
2ঃ'عجاءب المقدور في نواءب تيمور “আহমাদ ইবনে আরব-শাহ“ ইংরেজি অনুবাদ: Timerlane or Timur,The great Amir--J.H. Sanders
3ঃTimerlane:Sword of Islam,Conquer of the World (2004) ---Justin Marozzi
4ঃ امبراطور على صهوة جواد - سفاك الدماء وهادم الحضارات--মনসুর আব্দুল হাকিম।(কায়রো,মিশর)
5ঃ ”حقيقة تيمور لنك العظيم --মুহাম্মাদ আমিন শায়খু
6ঃ الدولة العثمانية --আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
7ঃতারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া ----ইয়ালমায উযতুনা
8ঃতারিখুদ দাওলাতিল উসমানিয়া ---ডক্টর মুহাম্মাদ ফুয়াদ আল মুতাওয়াল্লি।