যারা অনবরত আমাদের পিছন থেকে ছুরি মেরে চলেছে

 

যারা অনবরত আমাদের পিছন থেকে ছুরি মেরে চলেছে

আজ বিশ্ব জুড়ে মুসলিম জাতির অবস্থা সত্যিই খুবই করুণ। পৃথিবীর যেকোন দিকে তাকান- সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক, আফ্রিকার দেশগুলো, আফগানিস্তান সবখানেই মুসলিমরা আজ দিনের প্রতিটি মুহূর্ত কাটাচ্ছে অমানবিক কষ্টের সাথে। রোজার দিনগুলোতে বাচ্চারা সেহেরি না খেয়ে রোজা রাখে। প্রতিনিয়ত খবর পাওয়া যায় বোম্বিয়ের। প্রতিদিন কত মুসলিম মারা যাচ্ছে আল্লাহই ভালো জানেন।


তবে মুসলিমদের এই অবস্থার জন্য সবচেয়ে দায়ী মুসলিমরা নিজে। ইতিহাসে আমাদের দুটি শক্তিশালী মুসলিম সাম্রাজ্য পরপর ধ্বংস হয়েছে আমাদের নিজেদের কিছু লোকের বিশ্বাস ঘাতকরা ও স্বার্থপরতার জন্য।


আজকেও মুসলিম দেশগুলোতে যে নির্যাতন নিপীড়ন চলছে তার পিছনে দায়ি সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের রাজ পরিবার।


যখন ইরানে ইসলামী শাসনতন্ত্র চালু হয় এবং ইরান হাজার নিষেধাজ্ঞার মধ্যো দিয়ে ধীরে ধীরে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয় তখন এই রাজ পরিবার মুসলিম বিশ্বে সিয়া সুন্নি বিভেদ সৃষ্টি করে কেবল এই কারনে যে ইরান শক্তিশালী হলে মুসলিম বিশ্বের নেত্রীত্ব ইরানের কাছে চলে যাবে।


সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাকে কাতার প্রচুর অর্থ অনুদান দেয়। ফলে উক্ত রাজ পরিবারের সন্দেহ হয় কাতার এভাবে মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব দখল করবে। ফলে তাদের টার্গেটে পরিণত হয় কাতার। সৌদি আরব ও আরব আমিরাত কাতার দখলে নেওয়ার প্রস্তুতিও শেষ করে। উল্লেখ্য কাতারের অর্থের অভাব না থাকলেও তারা তাদের সামরিক বাহিনী একদমই শক্তিশালী করে নি। তখন কাতারকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে তুরস্ক। ফলে কাতার এই আগ্রাসনের মুখ থেকে বেঁচে যায়।


শুধু ইরান বা কাতারই নয়, বর্তমানে তখন তুরস্ক শক্তিশালী হতে শুরু করেছে তখন এই রাজ পরিবার তাদের নেত্রীত্বের স্বার্থে বেশ কয়েকবার এরদোয়ানকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এছাড়াও যখন গ্রিসের সাথে তুরস্কের উত্তেজনা বিরাজ করছিল তখধ তারা গ্রীসকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছিল।


এভাবেই মুসলিমরা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তার উপরে কাফিররা তো আছেই।


— যতদিন মুসলিমরা এক হতে পারবে না ততদিন মুসলমানদের এই দুর্দশাও শেষ হবে না।


আল্লাহর কাছে দোয়া করি,

"আল্লাহ তুমি সলক মুসলিম জাতিকে হেদায়েত দান করো। মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ করে দাও।"

— আমিন


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন