এই মেসেঞ্জার এমন একটি ভয়ঙ্কর জায়গা যেখানে বড় বড় হুজুর হুজুরনীর ইমান ছারখার হয়ে যায়।
প্রকৃত পুরুষ
কখনো কোন গায়রে মাহরাম মেয়ের ইনবক্সে অপ্রয়োজনীয়
মেসেজ দেন না।
ভালো মেয়েরাও
গায়রে মাহরাম ছেলেদের ইনবক্সে মেসেজ দেন না!
বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে কখনোই ইন্ট্যারাকশনে যাবেন না।
কখনোই চ্যাট করবেন না।মোটামুটি ইসলাম প্র্যাক্টিসিং ভাই ও বোনেরাও এই ফাঁদে পড়ে যান।
কোন নন মাহরাম আপনাকে ইনবক্সে মেসেজ দিবেন না।
আপনি যে ফেতনার ভয়ে রিপ্লাই দিতে চাচ্ছেন না এইটা বলার ও দরকার নেই। শয়তান আপনাকে বারবার ধোঁকা দিতে চাইবে,আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিবে দাওয়ার গুরত্ব ও ফযীলত।
শয়তানের ফাঁদে বা ধোঁকায় পড়া যাবে না।
ফেসবুক কোন ম্যাট্রিমনি সার্ভিস না। এই ভার্চুয়াল জগতের ফেসবুক জিনিসটা অমুসলিমদের 'ডেটিং-চ্যাটিং' সার্ভিসের স্ফূর্তির জায়গা হলেও মুসলিম সবসময়েই মুসলিম। আর বিয়ে করতে আগ্রহী পুরুষ মেয়ের বাবার সাথে বা ওয়ালীর সাথে যোগাযোগ করে। ইনবক্সে গায়রে-মাহরাম মেয়ের সাথে ধুমায়ে চ্যাটিং করা মুসলিম পুরুষের চারিত্রিক গুণাবলী হতে পারে না।
যা হারাম, তা সবসময়েই হারাম। যদি কোন মেয়ের সাথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা বাসার ড্রয়িং রুমে চুটিয়ে "ক্যামন আছেন? মন খারাপ? কবে পরীক্ষা? ছুটি কবে? "টাইপের আলাপ করা হালাল না হয় -- তাহলে কেমন করে সেটা ফেসবুকে হালাল? আপনি কেমন করে একটা গায়রে মাহরাম ছেলেকে বা মেয়েকে ইনবক্সে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? কেন নিজের ভেতরের শয়তানকে এভাবে নিজেকে ধ্বংসের অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন? আপনি কি জানেন না আল্লাহ বলেছেন অশ্লীলতা/যিনার আশেপাশেও না যেতে?
এই টুকটুক আলাপ থেকেই অনেক খারাপ কিছু হয়ে যাবে। আপনার হৃদয় কব্জা হয়ে যাবে, অশান্তি হবে। আপনার মন ফেসবুক বা গুগল টাতে আটকে যাবে। আপনি দাস হয়ে যাবেন নফসের। সাবধান!!
চ্যাটিং-ডেটিং টাইপের বিষয় থেকে দূরে থাকুন। ফেসবুকে গায়রে-মাহরাম ছেলে/মেয়ে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে না রাখার চেষ্টা করুন। নিজের চরিত্র এবং ইনবক্স পরিচ্ছন্ন রাখুন।
ধরুন একদিন ফেসবুকের সব প্রাইভেসি সেটিংস এলোমেলো হয়ে আপনার ইনবক্সটা প্রোফাইলের ওয়ালে উন্মুক্ত হয়ে যায়, আপনি কি পারবেন মুখ দেখাতে নিজের কাছে,
সবার কাছে?
<<আল্লাহ কিন্তু সবই দেখছেন>>
আল্লাহ চোখের খিয়ানতকেও জানেন,
আর বুকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা গোপন কথাও জানেন।
(সূরা মু'মিনঃ ১৯)
গায়রে-মাহরামদের সাথে যথাসম্ভব চ্যাটিং-আড্ডা, অতিরিক্ত লাইকিং, বেশি বেশি কমেন্টিং টাইপের
বিষয়গুলো এড়িয়ে যান। চরিত্রকে সুরক্ষিত রাখুন। মনে রাখবেন, উত্তম চরিত্র মানে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস।
নইলে কমেন্ট, ইনবক্সে দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে কখন যে দিলের দাওয়াত দিয়ে বসে থাকবেন তা টের ও পাবেন না।
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ