বুদ্ধিকে কাজে লাগাতে শেখ মুসলমান
আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত পার হওয়া গাড়িগুলোর ড্রাইভাররা বলছে, তালেবান ক্ষমতায় আসার পর অবস্থা পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর রাস্তা পার হওয়ার জন্য কাউকে ঘুস দিতে হচ্ছে না। আব্দুল্লাহ নামে একজন ট্রাকডাইভার বলেন, পূর্বে সীমান্ত এবং বিভিন্ন চেক পয়েন্টে আফগান কর্মকর্তাদের ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানি রূপি ঘুস দিতে হতো। কিন্তু গত ২০ দিন কেউ ঘুসের কথা বলেনি।
একেই বলে ইসলামী শাসনতন্ত্র। আরে পশ্চিমারা তো চাইবেই যেন মুসলিম দেশগুলো উন্নত না হয়। তাই তারা সবসময়ই মুসলিম শাসনতন্ত্রকে সন্ত্রাসী বলবেই। তাই বলে যদি মুসলমানরা গাধার মতো তাদের কথা বিশ্বাস করে কোনো কিছু চিন্তা না করেই নিজেদের আইনকে বা আল্লাহর আইনকে সন্ত্রাসী আইনতন্ত্র মনে করে তাহলে তার থেকে বোকা এই পৃথিবীতে আর কে আছে।
ইরানকে দেখুন, পশ্চিমারা কি চাইনি যেন ইরান মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে? তারা অবশ্যই চেয়েছে। কিন্তু ইরানে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার পর বা আল্লাহর আইনকে কার্যকর করার করার পর বিশ্বের রাঘব বোয়ালরা চাইলেও ইরানকে গ্রাস করতে পারে নি।
আপাত দৃষ্টিতে অনেক কিছুই ভুল মনে হয়। পশ্চিমাদের মিষ্টি কথায় ভুলে যেওনা মুসলমান। তাদের চালাকি ধরতে শেখ। নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে সঠিককে বুঝতে শেখ।

সত্যিই কি ইরানে ইসলামী আইন চালু আছে ?? আমার জানামতে তো সেখানে তো শরিয়তী শাসন নেই।
উত্তরমুছুন