“(১) নবুওয়াত ব্যবস্থা (নবীর মদিনার জীবন - ১০ বছর) তোমাদের মাঝে ততদিন থাকবে, যতদিন আল্লাহ তা'আলা মঞ্জুর করেন। অতঃপর যখন ইচ্ছা, তখন তিনি তা উঠিয়ে নিবেন।
(২) তারপর (রাসুল স. ওফাতের পর) তোমাদের মাঝে নবুওয়াতের পদ্ধতিতে খেলাফত ব্যবস্থা (খোলাফায়ে রাশিদিনের যুগ - ৩০ বছর) কায়েম হবে এবং তা আল্লাহ তা'আলা যতদিন ইচ্ছা ততদিন থাকবে, অতঃপর তিনি তা উঠিয়ে নিবেন।
(৩) তারপর হানাহানির রাজত্ব (উমাইয়া, আব্বাসীয়, উসমানীয় খিলাফাহ - ১৩০০ বছর) প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তা আল্লাহ তা'আলার যতদিন ইচ্ছা ততদিন থাকবে, অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছায় তার বিলুপ্তি ঘটবে।
(৪) তারপর জবর দখল তথা আধিপত্য বিস্তারের রাজত্ব (গণতন্ত্র/রাজতন্ত্র - ১০০ বছর) কায়েম হবে এবং তা আল্লাহ তা'আলার যতদিন ইচ্ছা ততদিন থাকবে, তারপর যখন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন, তখন এরও অবসান ঘটবে।
(৫) অতঃপর নবুওয়াতের পদ্ধতিতে খেলাফত (ইমাম মাহদীর খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা) রাষ্ট্র-ব্যবস্থা কায়েম হবে। এ বলে রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ রইলেন।” [মুসনাদে আহমদঃ ৪/২৭৩]
রসুলুল্লাহ (স:) বলেন --
১. যখন তোমরা ব্যবসা বাণিজ্যে ডুবে যাবে।
২. গরুর লেজের পিছনে পড়ে থাকবে।
৩. কৃষিকার্য নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে।
৪. আল্লাহর পথে জিহাদ পরিত্যাগ করবে।
আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের উপর দুর্দশা আপতিত করবেন এবং ততক্ষণ পর্যন্ত তা তুলে নেয়া হবে না যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রকৃত দ্বীন (অর্থাৎ ইসলামে) ফিরে আসবে। [আবু দাঊদ ২৩/৩৪৫৫]
এই হাদীসের মাধ্যমেই রাসূল (স) মুসলিম উম্মাহর সমস্যা ও তার সমাধান আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। অথচ মজার ব্যাপার হল, হাদীসে যে সব সমস্যার কথা বলা হয়েছে, কতিপয় মুসলিম সেসবকেই উল্টো সমস্যা সমাধানের উপায় বলে দাবি করছেন।